প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি

135

মাইজব ডেস্ক: প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের জন্য এবার আসলো সুখবর। তাদের আন্দোলন এবার সার্থকতা পেতে যাচ্ছে। বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে যে যে আন্দোলন করে আসছিলেন তার কিছুটা বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকের জন্য সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ তৈরি হবে। সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে নয়, সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিচের গ্রেডে বেতন পাবেন। এর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের ঠিক পরের গ্রেডে বেতন না পেলেও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত হচ্ছে। সারাদেশে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪ লাখ প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হবে বলেও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সব নিয়ে একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। তালিকা ধরে কাজ শুরু হলেও লেখার মতো কিছু হয়নি।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। এ সপ্তাহে নথিটি জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে যেতে পারে।’

তিনিও বলেছেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হচ্ছে।’

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের বেতন গ্রেড ঠিকঠাক করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যে আমরা কাজগুলো শেষ করতে চাই। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়বে। সহকারী প্রধান শিক্ষক নামে নতুন একটি পদ সৃষ্টি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বেতনভাতা নিয়ে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন, আমি নিজে তাদের অনশন ভাঙিয়েছি, প্রতিশ্রুতিও দিয়েছি। সেগুলোই এখন বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব বিষয়ে জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি নিতে হবে। এজন্য চলতি সপ্তাহে জনপ্রশাসন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সচিব পর্যায়ে বৈঠকে ফলপ্রসূ হলে খুব দ্রুত নথির কার্যক্রম শেষ করা হবে।