‘ক্যারিয়ার কন’ শুরু

134

মাইজব ডেস্ক: চাকরির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাজার নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রার্থীদের করণীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে শুরু হয়েছে ‘ক্যারিয়ার কন’। দু’দিনের এ আয়োজনে শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার বিষয়ে নানা পরামর্শও পাবেন।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত এই ক্যারিয়ার কনফারেন্সে থাকছে ক্যারিয়ারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিনব্যাপী সেমিনার ও ওয়ার্কশপ।

সেমিনার মোট ৯টি বিষয়ের ওপর আলোচনার পাশাপাশি হাতেকলমে প্রশিক্ষণের জন্যে থাকবে দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ। এই আয়োজনটির অনলাইন পার্টনার হিসেবে আছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪ডটকম।

আয়োজনটির বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রতিষ্ঠান ই-সফটের প্রধান নির্বাহী এবং আয়োজক আরিফুল হাসান অপু বলেন, তরুণ প্রজন্ম ক্যারিয়ার নিয়ে দ্বিধায় থাকে। কোন সেক্টরে কাজ করতে কেমন প্রিপারেশন নিতে হবে, কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে এসব নিয়েই এবারের আয়োজন। যাতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটা সচেতনতা তৈরি করা যায়। চাকরির বাজারের বর্তমান অবস্থা, কোন কোন ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ আছে? জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাকরির সুযোগ কেমন? চাকরির আবেদন তৈরি, ক্যারিয়ার গাইডলাইন, ব্যাংকিং জব, মিলিটারি জবসহ বিভিন্ন চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে থাকছে আলাদা আলাদা সেমিনার ও ওয়ার্কশপ।

এ ছাড়া স্মার্ট সিভি (জীবনবৃত্তান্ত) তৈরির কলাকৌশল ও তার গুরুত্ব, সাক্ষাৎকার বোর্ডে নিজেকে জয়ী করার প্রস্তুতি, চাকরির বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ বাজার নিয়ে থাকবে আলোচনা। সুতরাং তরুণ প্রজন্ম তাদের ক্যারিয়ারের সব ধরনের দিক-নির্দেশনা পাবেন এই সেমিনার এবং ওয়ার্কপ থেকে।

ইনোভেশন ফোরাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আরিফুল হাসান অপু বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন নতুন আবিষ্কারের মন মানসিকতা তৈরি করা বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের উদ্দেশ্য। সৃজনশীল (ইনোভেটিভ) চিন্তা-ভাবনাকে আরও বিকশিত (ডেভলপিং) করা, সারা বাংলাদেশে যাতে এ চর্চা শুরু হয়। কারণ, তরুনদের মধ্যে যতো ইনোভেটিভ চিন্তা আসবে দেশ ততো উন্নত হবে।

তিনি বলেন, একজন মানুষ যদি নিজের উন্নয়ন করেন তাহলে সেটা তার পরিবারকেও উন্নয়ন করবে। ব্যক্তি ও পরিবারের উন্নয়ন হলে তা সমাজেরও উন্নয়ন করবে। আর সমাজের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। আমরা চাচ্ছি ইনোভেটিভ আইডিয়াগুলো রুট লেভেলে (প্রত্যন্ত অঞ্চল) চলে যাক। তাহলেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

ক্যারিয়ার কনের আগে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের ব্যানারে ৬০টির মতো প্রোগ্রাম করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে বিজনেস ইনোভেশন সামিট ও স্পেস ইনোভেশন সামিটসহ আমরা প্রায় ৬০টির মতো প্রোগ্রাম করেছি। প্রথম প্রোগ্রাম আমরা করি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ইনোভেশন ক্যাম্প। সেখানে সারা বাংলাদেশ থেকে ১৪০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এখন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের সঙ্গে পার্টনারশিপ ও এমওইউ আছে। খবর জাগো নিউজ